জঙ্গি হামলা, জাতীয় ঐক্য ও নির্বাচন

Aug 04, 2016 11:23 am

 
মঈন উদ্দিন খান

বাংলাদেশের রাজনীতির আকাশ এখন আরো বেশি মেঘাচ্ছন্ন। গুলশানের হোলে আর্টিজানে জঙ্গি হামলার পর সব কিছু যেন ওলটপালট হয়ে গেছে। জনমনে বাসা বেঁধেছে ভয় ও আতঙ্ক, আর রাজনীতিতে বিরাজ করছে গুমোট অবস্থা। আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী ও দূরদর্শী রাজনীতিবিদ সৈয়দ আশরাফ এই অবস্থার কথা মুখফুটে বলেই দিয়েছেন। ১৫ আগস্টের মতো পরিস্থিতি যাতে না হয় সে দিকেও সতর্ক দৃষ্টি রাখতে বলেছেন তিনি। ঠিক কী কারণে সৈয়দ আশরাফ এ কথা বলেছেন তার সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা পাওয়া না গেলেও রাজনীতিতে যে চরম অনিশ্চয়তা ভর করেছে, তা স্পষ্ট।


শুধু রাজনৈতিক অঙ্গনে নয়, জঙ্গি হামলা ভাবিয়ে তুলেছে পুরো জনপদকে। ক্ষমতাসীন সরকার ও তাদের প্রশাসনিক সংস্থাগুলো জঙ্গি দমনে বেশ জোরেশোরেই মাঠে নেমেছে। কিন্তু যে কৌশলে তারা এগোচ্ছে, তা সঠিক পথ কি না তা নিয়ে বিতর্ক উঠেছে। প্রধান রাজনৈতিক বিরোধী শক্তি বিএনপির তরফ থেকে অভিযোগ তোলা হয়েছে সরকার জঙ্গি দমনে গোঁজামিলের চেষ্টা করছে।
গুলশানে হোলে আর্টিজানে ভয়ঙ্কর জঙ্গি হামলায় সব মিলিয়ে মারা গেছে ২৩ জন। ‘গণতন্ত্রহীনতায়’ চরমপন্থার আশঙ্কা থাকলেও বাংলাদেশে এ ধরনের ঘটনা ঘটবে তা ছিল অকল্পনীয়, অবিশ্বাস্য। কারণ এই হামলা কী ভয়াবহ বার্তা নিয়ে এসেছে, তা কারো অননুমেয় নয়। আইএস (ইসলামিক স্টেট) স্বীকৃত এই হামলা কি শুরু না শেষ, তা নিয়ে বিস্তর শঙ্কা ভর করেছে সবখানে। এমনই এক অবস্থায় দীর্ঘ দিন ধরে চলে আসা রাজনৈতিক টানাপড়েন আর দেশী-বিদেশী কেউই দেখতে চায় না।


বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া গুলশান হামলার পরপরই সব ভেদাভেদ ভুলে দল-মত নির্বিশেষে জাতীয় ঐক্যের ডাক দিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন। ওই সংবাদ সম্মেলন থেকে তিনি এই আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘কে ক্ষমতায় থাকবে, কে ক্ষমতায় যাবে, সেটা আজ বড় কথা নয়। আমাদের কোনো অর্জনই টিকবে না যদি আমরা সন্ত্রাস দমন করতে না পারি।’ ক্ষমতাসীন দল এই আহ্বানে সারা না দিলেও খালেদা জিয়ার বক্তব্য বেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলেই বিবেচনা করা হয়েছে। প্রভাবশালী দেশগুলোও তার বক্তব্যকে স্বাগত জানিয়েছে। আওয়ামী লীগ জাতীয় ঐক্যের বদলে বিএনপিকে জঙ্গি ইস্যুতে এখন আরো চেপে ধরার চেষ্টা করছে। সরকার বলছে বিএনপি-জামায়াত জোটই জঙ্গিবাদের মদদদাতা। এসব জঙ্গি হামলার সাথে তারাই জড়িত। আওয়ামী লীগের এসব বক্তব্য বরাবরের মতো প্রতিহিংসামূলক রাজনীতির বহিঃপ্রকাশ হিসেবেই দেখা হচ্ছে। কারণ যে ঘটনা গুলশানে ঘটেছে, তা খুবই ভয়ঙ্কর এবং আইএস এর দায় স্বীকার করেছে। এটা অনেকটা স্পষ্ট যে, এ ধরনের হামলা যে হতে পারে তার কোনো আগাম তথ্যও কারো কাছে ছিল না। এ অবস্থায় বিএনপি জোটকে দায়ী করা রাজনৈতিক ‘ব্লেইম গেম’ ছাড়া কিছুই নয়।


বিএনপি অবশ্য এই ব্লেইম গেমের পরেও হাল ছেড়ে দেয়নি। রাজনৈতিক বৃহত্তর ঐক্যই তাদের এখন প্রধান লক্ষ্য। ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের তরফ থেকে কোনো সাড়া না মিললেও জোট ও জোটের বাইরে থাকা গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক দলগুলোকে নিয়ে জাতীয় ঐক্য গঠনের প্রক্রিয়া শুরু করেছে বিএনপি। আর বৃহত্তর স্বার্থে জাতীয় ঐক্য গঠনের প্লাটফর্মে জামায়াত থাকছে না।
বিএনপির নেতারা বলছেন, যেহেতু তাদের লক্ষ্য ‘বৃহত্তর রাজনৈতিক ঐক্য’, সেহেতু জোটের বাইরে থাকা রাজনৈতিক দলগুলোও তাদের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তবে ওই সব দলগুলো ঐক্য গঠনের পথে জামায়াতে ইসলামীকে প্রতিবন্ধকতা হিসেবে মনে করে। বিএনপিকেও বিভিন্ন সময়ে তারা জামায়াত প্রশ্নে তাদের অবস্থান জানিয়েছে। তাদের মতে, ভোটের মাঠে কিংবা সাংগঠনিক শক্তিমত্তার দিক দিয়ে ওই সব দলগুলোর তেমন অবস্থান না থাকলেও, তাদের ‘ভয়েস’ বেশ শক্তিশালী। এ কারণে ২০ দলীয় জোটের বাইরে ড. কামাল হোসেন নেতৃত্বাধীন গণফোরাম, ডা. বদরুদ্দোজা চৌধুরীর বিকল্পধারা, বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকীর কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ, আ স ম আবদুর রবের জেএসডি, সিপিবি-বাসদসহ আরো কয়েকটি দলকে জাতীয় ঐক্যের প্লাটফর্মে রাখতে চায় তারা। এরই মধ্যেই এসব দলের সাথে বিএনপি যোগাযোগ করেছে। ইতিবাচক সাড়াও পেয়েছে। বিএনপি মাসখানেকের মধ্যে সব দল নিয়ে একটি সন্ত্রাসবিরোধী কনভেনশন করার চিন্তা করছে। দলটি তাদের এই জাতীয় ঐক্যের প্রচেষ্টার কথা ঢাকায় নিযুক্ত কূটনীতিকদেরও জানিয়েছে। কূটনীতিকেরা বর্তমান পরিস্থিতিতে খালেদা জিয়ার এ আহ্বানকে স্বাগত জানিয়েছেন। তারা বলেছেন, জঙ্গি ও উগ্রবাদ মোকাবেলা আজ বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সবাইকে এক সাথে এই সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে হবে।


তবে জাতীয় ঐক্যের নামে জামায়াতের সঙ্গ ছাড়লেও সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ ইস্যুতে আওয়ামী লীগ জোটের সাথে বিএনপি জোটের ঐক্য হচ্ছে না বলেই রাজনৈতিক সূত্রগুলো বলছে। ক্ষমতাসীন দলটির নীতিনির্ধারকেরা মনে করছেন, সাম্প্রতিক বিভিন্ন ইস্যুতে সরকার দেশে-বিদেশে খানিকটা চাপের মুখে থাকলেও রাজনীতিতে পিছিয়ে পড়া বিএনপিকে ঐক্যের মাধ্যমে ‘স্পেস’ করে দেয়ার কোনো সুযোগ নেই। সে জন্য ২০ দলীয় জোটের অন্যতম শরিক জামায়াতকে জোট থেকে বাদ দিয়ে বিএনপির পক্ষ থেকে ঐক্যের কোনো প্রস্তাব দেয়া হলেও তা সরকারের তরফ থেকে প্রত্যাখ্যান করা হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইতোমধ্যে বিএনপিকে ছাড়া জাতীয় ঐক্য হয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন।


আওয়ামী লীগের সূত্রগুলো বলছে, সরকারের পক্ষ থেকে বিএনপিকে কোনো ধরনের ঐক্যের প্রস্তাব দেয়া হবে না। তবে বিএনপির পক্ষ থেকে ঐক্যের আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব দেয়া হলে শুরুতেই জামায়াত ছাড়ার শর্ত দেয়া হবে। আর বিএনপি যদি জামায়াতকে বাদ দিয়ে ঐক্য প্রস্তাব দেয় তবে তা প্রত্যাখ্যান করে নতুন কয়েকটি শর্ত জুড়ে দেয়া হবে। এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে, ৫ জানুয়ারির ‘একতরফা’ নির্বাচনকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেয়া, নির্বাচনের আগে ও পরে চলমান আন্দোলনে হতাহতের ঘটনায় দোষ স্বীকার করে ক্ষমা চাওয়া, আন্দোলনের সময় সহিংসতায় জড়িত ‘বিএনপি জোটের কর্মীদের’ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে তুলে দেয়া এবং সর্বশেষ ২০১৯ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অধীনে নির্বাচনে অংশ নেয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়া ইত্যাদি। বিএনপি সরকারের সাথে কোনো ধরনের ঐক্যে যাতে রাজি না হয় সে জন্যই এসব শর্ত দেয়া হবে বলে নিশ্চিত করেছে সূত্রগুলো।


শাসক দলের নেতারা মনে করছেন, সরকারের দমনমূলক নীতি এবং রাজনৈতিক নানা কৌশলের কাছে বারবার পরাজিত হয়ে বিএনপি রাজনীতি থেকে হারিয়ে গেছে। তারা কোনোভাবেই ঘুরে দাঁড়াতে পারছে না। এখন জঙ্গি ও সন্ত্রাসবাদ ইস্যুকে ঘিরে তারা নতুন করে রাজনীতিতে ফিরে আসতে চায়।


আওয়ামী লীগ-বিএনপির মধ্যে রাজনৈতিক ঐক্য যখন সুদূরপরাহত তখন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ও সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে বাইরে রেখেই আগামী নির্বাচনের চিন্তা করছে সরকার। সেই লক্ষ্যে জাতীয় নির্বাচনের একটি ছকও প্রণয়ন করা হচ্ছে। তারেক রহমানকে এরই মধ্যে মানিলন্ডারিং মামলায় সাত বছরের জেল দেয়া হয়েছে। একইভাবে আগামী নির্বাচনের আগেই চলমান বিভিন্ন মামলায় বেগম খালেদা জিয়াকেও সাজা দেয়া হতে পারে, যদিও বিষয়টি আদালতের ওপরই নির্ভর করছে। আর তাকে সাজা দেয়া হলে আইন অনুযায়ী মা এবং ছেলে উভয়েই নির্বাচনে অযোগ্য হতে পারেন। ফলে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানকে বাইরে রেখেই জাতীয় নির্বাচন আয়োজন করা হতে পারে বলে আওয়ামী লীগ ও সরকারের একাধিক সূত্র জানিয়েছে।


সংবিধান অনুযায়ী ২০১৯ সালেই জাতীয় নির্বাচন হওয়ার কথা। সেই নির্বাচন নিয়ে এখন থেকেই প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছে ক্ষমতাসীনেরা। নির্বাচনে বিজয়ের ধারা অব্যাহত রাখতে ইতোমধ্যেই নানা কৌশল নিয়ে কাজ শুরু করে দিয়েছেন ক্ষমতাসীন দলের নীতিনির্ধারকেরা। ওই কৌশলে প্রথমেই খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানকে বিজয়ের পথে বড় ধরনের বাধা হিসেবে চিহ্নিত করা হচ্ছে। সে জন্য শুরুতেই খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানকে নির্বাচন থেকে বাইরে রাখার বিষয়টি বেশ সক্রিয়ভাবে চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে।
সরকারের নীতিনির্ধারকেরা মনে করছেন, খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানকে নির্বাচনের বাইরে রাখা গেলে বিএনপি দুর্বল হয়ে পড়বে। শুধু তা-ই নয়, সুষ্ঠু নির্বাচনের নিশ্চয়তা দেয়া হলেও দলের দুই শীর্ষ নেতাকে বাদ দিয়ে বিএনপি নির্বাচনে না-ও যেতে পারে। এতে আওয়ামী লীগ আগের মতো ‘একতরফা’ নির্বাচনে কোনোরকম বাধা ছাড়াই আবার ক্ষমতায় চলে আসতে পারবে। অন্য দিকে বিএনপি যদি দুই শীর্ষ নেতাকে বাদ দিয়েই নির্বাচনে আসতে রাজি হয় তবে ওই নির্বাচনে নেতাকর্মীদের আর তেমন কোনো আগ্রহ থাকবে না। ফলে এমনিতেই আওয়ামী লীগ বিজয়ী হয়ে আবারো সরকার গঠন করতে পারবে। সে জন্য নির্বাচনে বিজয় নিশ্চিত করতে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানকে বাইরে রাখার বিষয়টি বেশ জোরেশোরে ভাবা হচ্ছে।


আওয়ামী লীগের নির্ভরযোগ্য একাধিক সূত্র মতে, আদালত তারেক রহমানকে সাত বছরের সাজা দেয়ায় ইতোমধ্যেই তিনি আগামী নির্বাচনে অযোগ্য হয়ে পড়েছেন। আর তাকে সাজা দেয়ার পর এখন বিএনপির মাঠ যাচাই করছে সরকার। তারেক রহমানকে নিয়ে দলের নীতিনির্ধারকেরা কী ভাবছেন, নেতাকর্মীরা শক্ত কোনো আন্দোলন গড়ে তুলতে পারেন কি না এবং দেশ-বিদেশে কী ধরনের প্রতিক্রিয়া হয়ে সেটি পর্যবেক্ষণ করছেন সরকারের নীতিনির্ধারকেরা। বিষয়টি যদি মোটামুটি সামাল দেয়া যায় তবে খালেদা জিয়ার বিষয়টিও খুব সক্রিয়ভাবে সামনে চলে আসবে। বর্তমানে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে ২৯টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলা, জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলা, গ্যাটকো, নাইকো ও বড়পুকুরিয়া দুর্নীতি মামলা অন্যতম। আর আদালত তারেক রহমানের মতো খালেদা জিয়াকেও এসব মামলায় সাজা দিলে, তিনি নির্বাচনে অযোগ্য হয়ে পড়বেন। বিএনপি তখনো সরকারের বিরুদ্ধে বড় ধরনের কোনো আন্দোলন গড়ে তুলতে পারবে না। আর এ পরিকল্পনা সফল হলে আওয়ামী লীগ অনায়াসেই নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে সরকার গঠন করতে পারবে।


আওয়ামী লীগের মধ্যে অপেক্ষাকৃত মধ্যমপন্থী নীতিনির্ধারকদের কেউ কেউ অবশ্য নির্বাচনে সরকারের বিজয় নিশ্চিত করতে চাইলেও বিএনপিকে বাইরে রাখতে চান না। তারা বিএনপিকে সংসদের বিরোধী দল হিসেবে দেখতে চান। তাদের মতে, ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের প্রেক্ষাপটটা একেবারেই ভিন্ন ছিল। সরকারের ‘কূটচাল’ এবং রাজনৈতিক কৌশলের কারণে বিএনপি নির্বাচনে আসতে পারেনি, যা দেশ-বিদেশে এখনো ব্যাপক সমালোচিত। তাই বিএনপিকে এবারো নির্বাচনের বাইরে রাখা হলে দেশ-বিদেশে আরো কঠোর সমালোচনার মুখে পড়বে সরকার। এ ছাড়া বিএনপির মতো একটি বড় দলকে বাইরে রেখে জাতীয় পার্টিকে আবারো বিরোধী দলের আসনে নেয়া দেশের সাধারণ মানুষ ভালোভাবে নেবে না। এতে দেশে বিশৃঙ্খলা দেখা দিতে পারে। তাই খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান বাইরে থাকলেও বিএনপিকে সংসদে দেখতে চান তারা। সে জন্য বিএনপির সিনিয়র নেতাদের ‘ম্যানেজ’ করে হলেও নির্বাচনে আনার পক্ষে তারা।


আওয়ামী লীগের পরিকল্পনা যা-ই হোক, বিশ্লেষকেরা মনে করেন, রাজনীতিতে সরল সমীকরণ বলতে কিছুই নেই। গুলশান হামলা অনেক সমীকরণই পাল্টে দিয়েছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে সরকার একটি নির্বাচন দিতে বাধ্য হতে পারে বলেও তাদের ধারণা। সেই নির্বাচন কেমন হবে, কিভাবে হবে তা সময়ই বলে দেবে।